Assigment

Class 9 2nd Week Assignment Answer All Subject 2022 (English, Finance & Banking, and Politics)

Class 9 students have English answer sheets and syllabus provided here. Class 9 English is a difficult subject. So it is difficult for students to create assignments in this regard. Since the Department of Secondary Education has already given the time limit for the transfer of English bedding for the students of class IX, the students have to prepare the assignment within that time. So to help students, we have attached answer sheets to each question on our website so that students can create and submit assignments. Let’s take a look at the answers below.

Recommend for you

2nd Week Assignment Answer & Syllabus 2021 For Class 6, 7, 8 & 9 (www dshe gov bd )

Class 9 English Assignment Answer 2nd week 2021

Today’s topic is Class 9English subject so we have mentioned here how to prepare assignments in English and how to get the answer sheet. So here are the answers to each of the questions asked in the syllabus and we have provided the answers in a standard way so students can visit our website to collect the answers without any worries and submit the assignment by collecting the answers.

Prepare a fact file (a short report of all the most important information on a person or subject) on the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. You can use narratives, pictures, images, information, newspaper clips etc. to support your assignment. Write 180-200 words.

Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman

The Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman (1920-1975) is the architect of independent Bangladesh. Sheikh Mujibur Rahman was born in the village of Tungipara under the then Gopalganj Subdivision (now District) of the then Faridpur District on March 17, 1920. His father Sheikh Lutfar Rahman and his mother Sheikh Sayera Khatun had four daughters and two sons. Sheikh Mujibur Rahman was their third child. His parents used to adoringly call him “Khoka”. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was a founding member of the East Pakistan Muslim Students League (est. 1948), one of the founding joint secretaries of the East Pakistan Awami Muslim League (est. 1949), general secretary of the awami league (1953-1966), president of the Awami League (1966-1974), president of Bangladesh (in absentia from 26 March 1971 to 11 January 1972), prime minister of Bangladesh (1972-24 January1975), president of Bangladesh (25 January 1975-15 August 1975). As an activist he had been a supporter of the Suhrawardhy-Hashim faction of the Muslim League. During the 1946 general elections, the Muslim League selected him for electioneering in Faridpur district. Sheikh Mujibur Rahman was one of the principal organisers behind the formation of the East Pakistan Muslim Students League (est. 1948). Sheikh Mujib’s active political career began with his election to one of the posts of joint secretaries of the East Pakistan Awami Muslim League (1949). As a political prisoner, he was then interned in Faridpur jail. In 1953, Sheikh Mujib was elected general secretary of the East Pakistan Awami Muslim League, a post that he held until 1966 when he became president of the party. Like his political mentor Huseyn Shaheed Suhrawardy, Mujib also underscored the importance of party organisation and management. To organise the party, he resigned from the Cabinet of Ataur Rahman Khan (1956-58) and devoted himself to the task of taking the party to grassroots level. Sheikh Mujibur Rahman entered parliamentary politics first in 1954 through his election as a member of the East Bengal Legislative Assembly on the United Front ticket. He was also a member of the Pakistan Second Constituent Assembly-cum-Legislature (1955-1958). He reorganised the Awami League and put it on a firm foundation. In 1966, he announced his famous six-point programme, calling it ‘Our [Bengalis’] Charter of Survival’, which aimed at self-rule for East Pakistan. Disturbed by the political views of Sheikh Mujib, the Ayub regime put him behind bars. A sedition case, known as Agartala Conspiracy Case, was brought against him. During this time, on 7 March Mujib made a historic address at a mammoth gathering at the Race Course which marked a turning point in the history of the Bengali nation. At mid-night of 25 March 1971, the Pakistan army launched its brutal crackdown in Dhaka. Sheikh Mujib was arrested and kept confined at Dhaka Cantonment until he was lifted to West Pakistan for facing trial for sedition and inciting insurrection.

Although during the War of Liberation begun in the wake of the 25 March army crackdown Bangabandhu had been a prisoner in the hands of Pakistan, he was made, in absentia, the President of the provisional government, called the Mujibnagar Government, formed on 10 April 1971 by the people’s representatives to head the Liberation War. He was also made the Supreme Commander of the Armed Forces.

 

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman headed the first government of post-liberation Bangladesh for a period of three years and a half. Starting from scratch his government had to deal with the countless problems of a war ravaged country. Restoring law and order, rehabilitating the mukhtijodhas, restoring the ruptured communication system, and, most importantly, feeding the hungry millions and many other problems bedeviled his administration. Because of his charismatic leadership Bangladesh gained recognition from the international community including the United Nations.

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was assassinated by a group of disgruntled army officials on August 15, 1975 along with most of his family members excepting for his two daughters who had been staying abroad at that time. Bangabandhu’s eldest daughter, Sheikh Hasina, is the current Prime Minister of Bangladesh.

Class 9 Fiancé & Banking Assignment Answer 2nd week 2021

We will now discuss Class 9 2nd Week Assignment Answer All Subject 2021 (English, Finance & Banking, and Politics) finance and banking and answer every syllabus-based question here. Are you a ninth grader? Then this post applies to you. Because we have to prepare assignments for finance and banking for the second week. So you can take the help of our website to create assignments in this regard. Then you will be able to create a beautiful and quality assignment and submit it within that time.

 

নিবন্ধ রচনা: ‘‘অর্থায়নের ক্রমবিকাশ” (নিবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে ভূমিকা, অর্থায়নের ধারণা, ক্রমবিকাশ এবং উপসংহার লিখতে হবে।)

ভূমিকা:
অর্থায়ন বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। মানুষের পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য বর্তমানে অর্থায়নের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে। কোন উৎস থেকে কিভাবে তহবিল সংগ্রহ করে কোথায় বিনিয়োগ করলে সর্বোচ্চ মুনাফা পাওয়া যাবে সেই বিষয়ে অর্থায়ন আলোচনা করে।

অর্থায়নের ধারণা:
অর্থায়ন বলতে তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহার সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অর্থাৎ ব্যবসায়ীক কাজে তহবিল সংগ্রহের উৎস এবং সে সকল তহবিল সঠিক স্থানে বিনিয়োগ করার বিষয়ে অর্থায়ন আলোচনা করেন। অর্থায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে।

একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা একটি প্রতিষ্ঠানে কোন কোন উৎস থেকে কিভাবে আয় হবে এবং কোথায় কিভাবে তা বিনিয়োগ করা হবে এটি অর্থায়নের মূল আলোচ্য বিষয়।

বিভিন্ন উৎস এর মধ্যে কোন উৎস কখন কি পরিমানে ব্যবহার করে তহবিল সংগ্রহ করা উচিত এবং কোন কোন খাতে কি পরিমাণে তা কিভাবে খরচ বা বিনিয়োগ করে মুনাফা বৃদ্ধি করা যায় সেই বিষয় নিয়ে ব্যবসায় অর্থায়ন আলোচনা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে।

অর্থায়নের ক্রমবিকাশ:
সপ্তদশ শতাব্দীর শিল্পবিপ্লবের পরেই উৎপাদন কৌশল জটিলতর হয় এবং বিশেষায়িত ও বিভাজিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদন-প্রক্রিয়া উল্কর্ষ লাভ করে।

বাজার প্রতিযােগিতায় টিকে থাকতে হলে অর্থায়ন-সংক্রান্ত ধারণা ও ব্যবহার অত্যাবশ্যক হয়ে যায়। হিসাবশাস্ত্রের বিকাশের সাথে সাথে অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফিন্যান্স মূলত আর্থিক বিবরণীর বিচার-বিশ্লেষণের কাজে নিয়ােজিত ছিল।

ক্ল্যাসিকাল ধারার ব্যষ্টিক অর্থনীতির উন্নতির সাথে সাথে কারবারের নিজস্ব ও বিশেষায়িত অর্থনীতি নিয়েও ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে অর্থায়ন সম্পৃক্ত ছিল।

অর্থায়নের ক্রমবিকাশের এই ধারা অর্থায়নের প্রকৃতি ও আওতা সম্পর্কে আমাদের একটি অর্থবহ ধারণা দেয়। গতানুগতিক ধারায় আর্থিক ব্যবস্থাপকদের প্রধান দায়িত্ব ছিল হিসাব সংরক্ষণ ও তা বিশ্লেষণপূর্বক ভবিষ্যৎ কার্যক্রম প্রণয়ন।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিবেদন তৈরি করা এবং নগদ অর্থের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার প্রদেয় বিলগুলাে যেন যথাযথ সময়ে পরিশােধে সমর্থ হয়, তাও অর্থায়নের ক্রমবিকাশের ধারায় অর্থায়নের কাজ হিসেবে যুক্ত হয়।

কিন্তু সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের ব্যাপ্তি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আর্থিক ব্যবস্থাপকদের দায়িত্বকে পরিবর্তিত করেছে। অর্থায়নের বিকাশের মূল চারণভূমি যুক্তরাষ্ট্রে অর্থায়নের যে বিবর্তন গত শতাব্দীতে সংঘটিত হয়েছে তা পরে সারা বিশ্বেই অর্থায়নের বিবর্তনের ধারা হিসেবে পরিচয় লাভ করে।

অর্থায়নের ক্রমােন্নয়ন ধারাকে পর্যায়ক্রমিকভাবে উপস্থাপনে দেখা যায় :
ক. ১৯৩০-এর পূর্ববর্তী দশক : এই সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলাের মধ্যে একত্রীকরণের প্রবণতা শুরু হয়।

আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ করে কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন প্রতিষ্ঠান একত্রীকরণ হওয়া উচিত এই সংক্রান্ত রূপরেখা দিতে আর্থিক ব্যবস্থাপকদের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

তারা এই একত্রীকরণে বিশাল অংকের অর্থসংস্থান ও আর্থিক বিবরণী তৈরি করার দায়িত্ব পালন করেন।

খ. ১৯৩০-এর দশক : একত্রীকরণ প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্রে যথেষ্ট সফলতা পায়নি। আগের দশকে একীভূত অনেক প্রতিষ্ঠানই পরের দশকে দেউলিয়া হয়ে যায়।

উপরন্তু ত্রিশের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে চরম মন্দা শুরু হয়। অনেক লাভজনক প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় পড়ে যায়। সেমতাবস্থায় ব্যবসায়গুলাে পুনর্গঠন করে কীভাবে প্রতিষ্ঠানগুলােকে দেউলিয়াত্ব থেকে রক্ষা করা যায়, এ ব্যাপারে আর্থিক ব্যবস্থাপক বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন।

এ সময় থেকেই শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অর্থায়নের প্রয়ােজন দেখা দেয়।

গ. ১৯৪০-এর দশক : এ সময়ে সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায় পরিচালনার জন্য তারল্যের প্রয়ােজনীয়তা বিশেষভাবে উপলব্ধি করা যায়। নগদ অর্থপ্রবাহের বাজেট করে সুপরিকল্পিত নগদপ্রবাহের মাধ্যমে অর্থায়ন সেই দায়িত্ব পালন করে।

ঘ. ১৯৫০-এর দশক: এই দশকে অর্থায়ন পূর্বে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ লাভজনক বিনিয়ােগ প্রকল্প মূল্যায়নে নানা প্রকার গাণিতিক বিশ্লেষণ কাজে নিয়ােজিত হয়।

সুদূরপ্রসারী প্রাক্কলনের মাধ্যমে উপযুক্ত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগ করে বিক্রয় বৃদ্ধি ও ব্যয় হ্রাস করে মুনাফা সর্বোচ্চকরণ করাই তখন অর্থায়নের প্রধান কাজে পরিণত হয়। এই ধারাকে অর্থায়নের সনাতন ধারা হিসেবে গণ্য করা হয়।

ঙ. ১৯৬০-এর দশক: এই সময় থেকেই আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা শুরু। অর্থায়ন মূলধন বাজারকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করে। শেয়ারহোল্ডাররা প্রতিষ্ঠানের মালিক ফলে শেয়ার হােল্ডারদের সম্পদ বা শেয়ারের বাজারদর সর্বাধিকরণই ছিল এই সময়ের অর্থায়নের উদ্দেশ্য।

এই উদ্দেশ্যকে সফল করার ক্ষেত্রে। নানা রকম আর্থিক বিশ্লেষণমূলক কার্য শুরু হয়। অর্থায়নে খুঁকির ধারণা বুঝিয়ে দেয় যে মুনাফা বৃদ্ধির সাথে সাথে সাধারণত ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। সুতরাং মুনাফা বৃদ্ধি সর্বদা কাক্ষিত নাও হতে পারে।

চ. ১৯৭০-এর দশক: এই দশকে কম্পিউটার অধ্যায়ের শুরু হয়, যা শুধু উৎপাদন কৌশলই নয়, ব্যবসা অর্থায়নকেও পাল্টিয়ে দেয়। অর্থায়ন এখন অংকনির্ভর হয়ে উঠেছে।

বেশির ভাগ আর্থিক সিদ্ধান্ত মূলত জটিল অংকনির্ভর এবং কম্পিউটারের মাধ্যমেই তা সুচারুরূপে সম্পাদন করার প্রবণতা এই সময়ে বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়।

যেমন ঝুঁকির ধারণা এখন অনেকটা সঠিকভাবে পরিমাপ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়। মূলধনি কাঠামাের সনাতন ধারণাও অনেক জটিল ও অংকনির্ভর হয়।

এই সময় যেসব তাত্ত্বিক ব্যবসায় অর্থায়নকে নানা তত্ত্বের বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ করেছিলেন, তাদের মধ্যে হারি মার্কোইজ, মার্টন মিলার, মডিগ্লিয়ানি ছিলেন উল্লেখযোগী।

পরবর্তীতে ১৯৯০-এর দশকে এসব তাত্ত্বিকগণ গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে। অর্থায়নের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য নােবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ছ. ১৯৮০-এর দশক: ব্যবসায় সম্প্রসারণ ও প্রতিযােগিতামূলক বাজারব্যবস্থায় টিকে থাকার জন্য অর্থায়ন তার সনাতনী দায়িত্বের পরিবর্তন করে নতুনরূপে আবির্ভূত হয়।

এই সময় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে মূলধনের সুদক্ষ বণ্টন ও প্রকল্পগুলাে হতে অর্জিত আয়ের বিচার-বিশ্লেষণই ছিল অর্থায়নের মূল বিষয়।

জ. ১৯৯০-এর দশক ও আধুনিক অর্থায়নের সূচনা: এই দশকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization) আত্মপ্রকাশ করে। বিশ্বব্যাপী আমদানি-রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। অর্থায়নও এ সময়ে আন্তর্জাতিকতা লাভ করে।

একদিকে যেমন অর্থায়নের বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত পৃথিবীর কোথায়, কোন পণ্য প্রস্তুত করা ও বিক্রয় করা লাভজনক সেটা বিবেচনা করে, আরেকদিকে বিশ্বের কোন মূলধনি বাজার কী প্রকৃতির ও কোথা থেকে তহবিল সংগ্রহ করা লাভজনক, তাও অর্থায়নের বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়।

ফলে অর্থায়ন হলাে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় একটি প্রায়ােপিক সমাধানের ক্ষেত্র, যা হিসাবরক্ষণ, অর্থনীতি ও অন্যান্য আর্থিক বিষয়গুলােকে সংমিশ্রণ করে সৃষ্টি হয়েছে।

উপসংহার: এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি আধুনিক ব্যবসায় বানিজ্যে বিকাশে অর্থায়নের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং অর্থায়নে আদি থেকে বর্তমানে পৌছাতে অর্থায়নের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে।

Class 9 Biology Assignment Answer 2nd week 2021

If you are a science student, it is very important for you to have a thorough knowledge of biology. Thus the Department of Education has published the Assignment Syllabus on Science for the preparation of the second-week assignment. So you need to make science. Since biology is a difficult subject, we have attached answers to every question of biology on our website to help students. You can take collaboration from here and be able to create assignments.

এ্যাসাইনমেন্ট ৰা নির্ধারিত কাজ

নিচের সংকেতগুলো অনুসরণ করে Margulis এর শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী জীব জগতের ৫টি রাজ্যের বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক ছকে উপস্থাপন কর এবং নিচে উল্লেখিত তোমার পরিচিত জীবগুলোকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে ছকটিতে দেখাও।

সংকেতঃ

(ক) নিচের বৈশিষ্টেও আলোকে রাজ্য নির্বাচন কর;

১। কোষের প্রকৃতি ও সংখ্যা
২। নিউক্লিয়াসের গঠন
৩। সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গানুসমূহ
৪ । কোষ বিভাজন
৫। খাদ্যাভাস
৬। জনন পদ্ধতি
৭। ভ্রণ গঠন

উত্তর:

(খ) কোনটি কোন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত তা দেখাও:

১। আমগাছ
২। আমাশয়ের জীবাণু
৩। দোয়েল
৪ । রাইজোবিয়াম
৫। মিউকর
৬। সাইকাস
৭। শামুক
৮। আগারিকাস
৯। নিউমোকক্কাস
১০। স্পাইরোগাইরা

উত্তর:

১। আমগাছ = প্লানটি (Plantae)

২। আমাশয়ের জীবাণু = প্রোটিস্টা

৩। দোয়েল = অ্যানিমেনিয়া (Animalia)

৪। রাইজোবিয়াম = মনেরা

৫। মিউকর = ফানজাই বা ছত্রাক

৬। সাইকাস = প্লানটি (Plantae)

৭। শামুক = মোলাস্কা (Mollusca)

৮। অ্যাগারিকাস = ফানজাই বা ছত্রাক

৯। নিউমোকক্কাস = মনেরা

১০। স্পাইরোগাইরা = প্রোটিস্টা

Class 9 Politics & Citizenship Assignment Answer 2nd week 2021

Today we will discuss the politics and citizenship of the students of the humanities department here. Then collect the answer sheets from our site and you will be considered for the next class assessment after getting a good mark.

প্রশ্ন:পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়টি পাঠ-শেষে তােমার অর্জনসমূহের তালিকা সম্বন্বিত একটি পােস্টার তৈরি কর।

সংকেতঃ

(নিচের বিষয়বস্তু সম্পর্কে তুমি যা জেনেছ)

১। নাগরিকতা

২। পরিবার

৩। সমাজ

৪। রাষ্ট্র

৫। আন্তর্জাতিক সংস্থা

নিদের্শনা:

১। পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি অন্য বই এর সহায়তা নেয়া যেতে পারে।

২। পত্র-পত্রিকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।

৩। পােস্টার পেপার/ক্যালেন্ডারে র উলটা পৃষ্ঠা/খাতার পৃষ্ঠা জোড়া দিয়ে পােস্টার তৈরি করা যেতে পারে।

উত্তর:

নাগরিকত্ব বা নাগরিকতা হল কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র বা জাতির একজন আইনস্বীকৃত সদস্য হিসেবে পাওয়া কোনো ব্যক্তির পদমর্যাদা। এক কথায় নাগরিকতা বলতে বুঝায় একটি রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে নাগরিকের মর্যাদা। আর নাগরিক হল রাষ্ট্রের. অধিবাসী যিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার ভােগ করেন। একজন ব্যক্তির একাধিক নাগরিকত্ব থাকতে পারে। যদি কোনো ব্যক্তির কোনো দেশেরই নাগরিকত্ব না থাকে তবে তাকে রাষ্ট্রহীন বলা যায়। যখন কেউ রাষ্টের সীমানায় অবস্থান করে এবং তার নাগরিকত্ব সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না তখন তাকে বলা হয় বর্ডার-ল্যান্ডার। প্রত্যেক দেশেরই নিজস্ব নীতি, বিধান এবং মানদন্ড রয়েছে যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে নাগরিক হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। যেসব মানদন্ডে নাগরিকতা অর্জন করা যায় তা হলোঃ

১. জন্মসুত্রে

২. একটি দেশে জন্মগ্রহণের মাধ্যমে

৩. বিবাহসূত্রে

৪. রাষ্ট্র প্রদত্ত নাগরিকত্ব

৫. বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা অর্থনৈতিক নাগরিকত্ব

৬. শ্রেণী বহির্ভূত

 

পরিবার হলো মা, বাবা, ভাই, বোন, দাদা, দাদী, চাচা, চাচী, ফুফু অর্থাৎ বাড়ির সকল সদস্যদের নিয়ে একত্রে যেখানে বসবাস করা হয় তাকেই মূলত পরিবার বলে । পরিবারের বিকাশে সন্ধানযোগ্য বংশগত সম্পর্ক সাধারণত জ্ঞাতি সম্পর্কের চেয়ে অগ্রাধিকার পায়। এই শৃঙ্খলার মধ্যে সদস্যরা সমাজের আর্থিক ও সামাজিক উপ-প্রথাগুলি গড়ে তোলে। পিতামাতা ও তাদের সন্তান-সন্ততিদের কেন্দ্র করে হতে পারে, দ্বিতীয়ত একসঙ্গে বসবাসরত আত্মীয়-স্বজন সমবায়ে একটি প্রসারিত পরিবারও হতে পারে। তৃতীয় ধরনের পরিবার হলো একটি বৃহৎ সংসার, যেখানে অন্যান্য আত্মীয় ও ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কিংবা তাদের ছাড়া অনাত্মীয়রাও যুক্ত হয়। মানুষের শিক্ষা অর্জনের সবচেয়ে বড় ও প্রথম মাধ্যম হচ্ছে পরিবার।

 

সমাজ বলতে মূলত এমন এক ব্যবস্থা বোঝায়, যেখানে একাধিক চরিত্র একত্রে কিছু নিয়ম-কানুন প্রতিষ্ঠা করে একত্রে বসবাসের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলে। মানুষের ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি একত্র হয়ে লিখিত কিংবা অলিখিত নিয়ম-কানুন তৈরি করে; এরকম একত্র বসবাসের অবস্থাকে সমাজ বলে। সমাজবিজ্ঞানী গিডিংস (Giddings) বলেন , ‘সমাজ বলতে আমরা সেই জনসাধারণকে বুঝি যারা সংঘবদ্ধভাবে কোনাে সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মিলিত হয়েছে। ম্যাকাইভার বলেন , “সমাজ মানুষের বহুবিধ সম্পর্কের এক বিচিত্র রূপ । ” ঐক্য সমাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অভ্যাস , মনােভাব , চাওয়া – পাওয়া ও আদর্শগত ঐক্যের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে ওঠে । অন্ন , বস্ত্র , শিক্ষা , চিকিৎসা , নিরাপত্তা , বাসস্থানের নিশ্চয়তা প্রভৃতি সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মানুষ সমাজবদ্ধ হয়। সমাজের ভিত্তি হচ্ছে নৈতিক মূল্যবােধ । সমাজ কতকগুলাে নীতিমালা মেনে চলে এবং নীতিগুলাে সমাজকে ধরে রাখে । যেমন – নিষ্ঠা , সততা , সহমর্মিতা , সহযােগিতা প্রভৃতি।

 

রাষ্ট্র বলতে রাজনৈতিক ভাবে সংগঠিত এবং একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনসমষ্টিকে বোঝায়।

রাষ্ট্রর মৌলিক উপাদান চারটি। যথা:

১। জনসমষ্টি

২। সার্বভৌমত্ব

৩। সরকার

৪। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড

ইতিহাসের অভিজ্ঞতা থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মানুষের বুদ্ধিমত্তার উৎকর্ষের প্রকৃষ্টতম রূপ হচ্ছে রাষ্ট্র, আর বস্ত্তত তা হলো রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎকর্ষের রূপায়ন। রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের যেমন কর্তব্য ও দায়িত্ব আছে তেমনি জনগণের প্রতি রাষ্ট্রেরও অনেক কর্তব্য ও দায়িত্ব আছে।

 

আন্তর্জাতিক সংস্থা বলতে বুঝায় যেসব সংস্থা বা সংগঠন সারা বিশ্বের জন্য সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে জনকল্যাণে কাজ করে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংস্থা হলো জাতিসংঘ। জাতিসংঘ (অপর নাম: রাষ্ট্রসংঘ) বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসঙ্ঘ সনদ স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। যে সব দেশ পূর্বে বৃটিশ উপনিবেশের অন্তর্গত ছিল, সে সকল দেশের জোট হলো কমনওয়েলথ। এরকম আরো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নাম হচ্ছে-

ন্যাম (NAM), সার্ক (SAARC), ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC), আরব লীগ (League of Arab States), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU), ওপেক (OPEC), G-8, D-8, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO), বিশ্বব্যাংক (World Bank), BIMSTEC, আসিয়ান (ASEAN), জাতিসংঘ পরিবেশবাদী সংস্থা (IPCC), ন্যাটো (NATO), ইন্টারপোল (INTERPOL), রেড ক্রস (Red Cross), অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (Amnesty International), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI), অরবিস, গ্রিন পিস সহ আরো অনেক।

2nd Week Assignment Answer & Syllabus 2021 For Class 6, 7, 8 & 9 (www dshe gov bd )

একসাথে ২য় সপ্তাহের সকল শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড

Class 6 2nd Week Assignment Answers & Syllabus All Subject

Class 7 2nd Week Assignment Answer All Subject 2021

Class 8 2nd Week Assignment Answer All Subject 2021

1st-week assignment Answer & Syllabus 2021

Class 6 Assignment Answer All Subjects (1st week) 2021 Click

Class 7 Assignment Answer All Subjects (1st week) 2021 Click

Class 8 Assignment Answer All Subjects (1st week) 2021 Click

Class 9 Assignment Answer All Subjects (1st week) 2021 Click

Abul Kalam

Hi, I'm Abul Kalam Azad. Now I'm working on a Private Bank in Bangladesh. In this website, I shall publish content on Finance Category. you can also know about the Banking system from our website. Anyone can know about Banking System in Bangladesh, Core Banking Review, Credit Card, Debit Card information, Agent Banking, and Mobile Banking Information from my content.

Related Articles

Back to top button
Close