5th Week Assignment 2021Assigment

Class 8 Science Solutions & Answer with Syllabus Assignment 5th week 2021

Assignment syllabus and answer sheets for the 5th week in 8 Class science subject: Today’s topic is our fifth week 8 class science syllabus and answer sheets. 8 class students are you a student of science subjects. You are very worried about the assignment. Let’s explain in detail how to create an assignment and how to get answers and where to visit and get help.

Since the assignment will be evaluated based on the place of passing the next class, you need to create a standard in science. For this, you need to take the help of a tree teacher or you can visit our website and collect assignment answer sheets made by experienced teachers. Friends visit our website and collect answer sheets.

Class 8 Science Answer 2020

Today we have picked up the answer sheets of Science questions one after the other and collected them.

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বিভিন্ন হয় কেন- ব্যাখ্যা কর।

বল প্রয়োগ করলে কোন বস্তুর বেগের পরিবর্তন হয়। প্রতি সেকেন্ডে যে বেগ বৃদ্ধি পায় তাকে ত্বরণ বলে। অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়। এ তরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়।
পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বিভিন্ন হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা:

যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে,

সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোন বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।

অভিকর্ষজ ত্বরণ কে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ মিটার/সেকেন্ড^২

ধরি, পৃথিবীর ভর =M, ভূপৃষ্ঠের বা এর নিকটে অবস্থিত কোন বস্তুর ভর =m, বস্তু ও পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যবর্তী দূরত্ব =d

তাহলে মহাকর্ষ সূত্র অনুসারে অভিকর্ষ বল, F=GMm/d^2

আবার বলের পরিমাপ থেকে আমরা পাই, অভিকর্ষ বল = ভর X অভিকর্ষজ ত্বরণ

অর্থ্যাৎ , F=mg
উপরের দুটি সমীকরণ থেকে বলা যায়,

mg=GMm/d^2
বা, g= GM/d^2

এ সমীকরণের ডান পাশে বস্তুর ভর m অনুপস্থিত। সুতরাং অভিকর্ষজ ত্বরণ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে না।

যেহেতু G এবং পৃথিবীর ভর M ধ্রুবক, তাই g-এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্ব d-এর উপর নির্ভর করে।

সুতরাং g-এর মান বস্তু নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। তাই বলা যায়, g-এর মানের ভিন্নতার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বিভিন্ন হয়।

যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোন বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। অভিকর্ষজ ত্বরণ কে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ মিটার/সেকেন্ড^২।

ধরি, পৃথিবীর ভর =M, ভূপৃষ্ঠের বা এর নিকটে অবস্থিত কোন বস্তুর ভর =m, বস্তু ও পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যবর্তী দূরত্ব =d। তাহলে মহাকর্ষ সূত্র অনুসারে অভিকর্ষ বল, F=GMm/d^2

আবার বলের পরিমাপ থেকে আমরা পাই, অভিকর্ষ বল = ভর X অভিকর্ষজ ত্বরণ
অর্থ্যাৎ , F=mg

উপরের দুটি সমীকরণ থেকে বলা যায়,
mg=GMm/d^2
বা, g= GM/d^2

এ সমীকরণের ডান পাশে বস্তুর ভর m অনুপস্থিত। সুতরাং অভিকর্ষজ ত্বরণ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে না।

যেহেতু G এবং পৃথিবীর ভর M ধ্রুবক, তাই g-এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্ব d-এর উপর নির্ভর করে।

সুতরাং g-এর মান বস্তু নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। তাই বলা যায়, g-এর মানের ভিন্নতার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বিভিন্ন হয়।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বিভিন্ন হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে পারলাম।

২ পৃথিবীতে তোমার ভর ৫০ কেজি চাঁদে তোমার ওজন কমে যায় কেন ব্যখ্যা করা

আগেভাগেই, একটা ব্যাপারে ধারণা পরিষ্কার করে নিই,

ভরের একক(Mass, m) : কেজি(Kg, kilogram)

ওজনের একক(Weight, w) : m*g কেজি*মিটার/সেকেন্ড²=নিউটন।

এখানে g হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।

প্রশ্নে বলা আছে, আপনার ওজন 50 কেজি, এটা কিন্তু ভুল। আসলে ওটা আপনার ভর, m = 50 কেজি ।

পৃথিবীতে আপনার ওজন হলো গিয়ে, W= m*g = 50*9.81 Kg-m/s² = 490.5 নিউটন, এখানে g=9.81 m/s²

চাঁদে আপনার ওজন হবে মোটামুটি W=m*g = 50*1.62 Kg-m/s² = 81নিউটন।

যেহেতু চাঁদে g এর মান 1.16 m/s² যেটা পৃথিবীর g এর মানের 6 বাগের এক ভাগ, তাই চাঁদে যেকোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীতে সেই বস্তুর ওজনের 6 ভাগের এক ভাগ হবে।

কিন্তু মহাবিশ্বের যেকোনো জায়গায় আপনার ভর 50 কেজি থাকবে।

পৃথিবীতে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ওজন 100 কেজি(ভর নয় কিন্তু, ওজন = ভর*g) হলে বিভিন্ন গ্রহ উপগ্রহে তার ওজন কতো হবে এই ছবি দেখে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

৩) একটি চকচকে কাঁচের গ্রাস কিছু পানি নাও। এবার গ্রাসের মধ্যে একটি পাথর ফেলে দাও। এবার নিচের কাজগুলো কর

(i) গ্লাসের উপর দিয়ে পাথরটিকে সরাসরি দেখার চেষ্টা কর।

উত্তরঃ i) গ্লাসের উপর দিয়ে পাথরটিকে সরাসরি দেখার চেষ্টা করায় পাথরটিকে ছোট, মোটা এবং উপরে দেখা যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে

(ii) কিছুটা তির্যকভাবে পাথরটিকে দেখার চেষ্টা কর।

উত্তরঃ ii) কিছুটা

ব্যাখ্যা: আলোক রশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করলে দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে এর দিক পরিবর্তিত হয়।

আলোকরশ্মির এই দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

হালকা মাধ্যমে আলোর বেগ বেশি আবার ঘন মাধ্যমে আলোর বেগ কম।

তাই আলো যখন হালকা মাধ্যম হতে ঘন মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্বের দিকে এবং বিপরীতক্রমে আলো ঘন মাধ্যম হতে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্ব হতে দূরে সরে যায়।

আলোর দ্রুত বা ধীরে চলা নির্ভর করে ঐ মাধ্যমের আলোকীয় ঘনত্বের উপর।

অতএব মাধ্যমের ঘনত্বের ভিন্নতার কারণে আলো ভিন্ন মাধ্যমে এর গতিপথ পরিবর্তন করে। তাই বলা যায়, তিনটি ক্ষেত্রের ভিন্নতার কারণ হলো আলোর প্রতিসরণ।

এই ছিল তোমাদের জন্য চকচকে কাঁচের গ্লাসে পানি দিয়ে আলোর প্রতিসরণ পরীক্ষণ বিষয়ে আজকের আলোচনা। এই মাধ্যমে তোমরা অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের ৫ম এসাইনমেন্ট এর উত্তর করতে পারবে।

তীর্যকভাবে দেখলে পাথরটিকে অপেক্ষাকৃত ছোট মনে হয়।

(iii) গ্রাসে যে পর্যন্ত পানি আছে তার একটু নিচ থেকে দেখার চেষ্টা কর। তিনটি ক্ষেত্রে কী ঘটছে ও কেন ঘটছে? ব্যখ্যা কর

উত্তরঃ iii) গ্লাসে যে পর্যন্ত পানি আছে তার একটু নিচ থেকে দেখলে মনে হয় পাথরের অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে।

তিনটি ক্ষেত্রেই তিন রকমের ঘটনা ঘটার কারণ হলো প্রতিসরণ।

 

Abul Kalam

Hi, I'm Abul Kalam Azad. Now I'm working on a Private Bank in Bangladesh. In this website, I shall publish content on Finance Category. you can also know about the Banking system from our website. Anyone can know about Banking System in Bangladesh, Core Banking Review, Credit Card, Debit Card information, Agent Banking, and Mobile Banking Information from my content.

Related Articles

Back to top button
Close