4th Week Assignment 2021Assigment

4th week Class 7 Assignment All Subject Answer & Syllabus 2021

Welcome to the seventh Class 4th week assignment syllabus and solutions here today. Seventh Grade Fourth Week Assignment Syllabus was published on the Secondary Official Website on 18th November 2021. Today we will share with you on our site the solution to the 4th-week assignment syllabus. Attached here are the syllabus and its solution. We update all the information on our site with assignments. You can get all the updated information by visiting our website and download and collect the PDF file. Let’s see all the updated information.

Recommended for you:

4th-week class 7 Assignment Answer & Syllabus All Subject

Today we have linked here step by step all the topics including seven class assignment syllabus and solutions. Click on the file here and when the file is open, download and collect the solution.

Class 7 Science 4th Assignment 2021 Syllabus

Class 7 Science 4th Week Assignment Answer 2021

১। তোমার বাড়ীর দেওয়ালে অথবা আশে পাশের দেওয়ালে যে সাদা ও সবুজ রং কী কারনে হয় বলে তুমি মনে কর।

উত্তর :

সমাঙ্গ বর্গের প্রধানত ক্লোরোফিলযুক্ত ও স্বভোজী উদ্ভিদরাই শৈবাল। এরা আলোকিত স্থান পছন্দ করে।

এরা মাটি, পানি, ঘরের দেওয়াল শরীরে হালকা জ্বর ও ডায়রিয়া ও অন্য গাছের উপর জন্মাতে পারে।

এদের দেহ এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে। এদের দেহে কোন পরিবহন কলা থাকে না।

এর সবুজ, লাল, বাদামী ইত্যাদি নানা রঙের হতে পারে।

অতএব, বাড়ির দেওয়ালে অথবা আশপাশের দেওয়ালে যে সাদা ও সবুজ রঙ অণুজীবের কারণে হয়ে থাকে।

। তোমার শরীরে হালকা জ্বর ও ডাইরিয়া কী করনে হয় বলে তুমি মনে কর।

উত্তর :

আমার শরীরে হালকা জ্বর ও ডায়রিয়া অণুজীবের সংক্রমনের কারণে হয়।
ব্যাকটেরিয়া জীবাণু দেহাভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করতে পারে ।

অপরিষ্কার হাত জীবাণুর জন্য একটি সুবিধাজনক বাহন, যার মাধ্যমে সহজেই এরা মুখগহ্বরের ঢুকে যেতে পারে ।

আমরা যে জামা কাপড় ব্যবহার করি, তাতে লেগে ব্যাকটেরিয়ার স্পোর স্থানান্তরিত হতে পারে ।

বাতাসে ধুলাবালি উড়ে বেড়ায় তার সাথে অতি সহজেই ব্যাকটেরিয়া বা তার স্পোর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে।

হাত মেলানোর মাধ্যমেও ব্যাকটেরিয়া একজন থেকে অন্যজনে অতি সহজে স্থানান্তরিত হতে পারে ।

পচা-বাসি খাবারের মাধ্যমে জীবাণু সহজেই ছড়ায় । ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও এন্টামিবা মানুষের শরীরের বিভিন্ন রোগ ছড়ায় ।

১। তোমার বাড়ীর দেওয়ালে অথবা আশে পাশের দেওয়ালে যে সাদা ও সবুজ রং কী কারনে হয় বলে তুমি মনে কর।

ডায়রিয়ার লক্ষণ

২৪ ঘণ্টায় তিনবার বা এর বেশি পানিসহ পাতলা পায়খানা হওয়া।
শরীর দুর্বল হওয়া।
খাওয়ায় রুচি কমে যাওয়া।
ডায়রিয়া শুরুর প্রথম দিকে বমি হয়। পরে অনেক ক্ষেত্রে বমি কমে যায়।
জ্বর এলেও তা খুব একটা তীব্র হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শরীর হালকা গরম থাকে।
ডায়রিয়ার কারণ
 দূষিত খাবার
 দূষিত পানি
 রোগজীবাণু
 কৃমি

ডায়রিয়া হলে করণীয়

ডায়রিয়া যত দিন চলে, তত দিন রোগীকে স্যালাইন খাওয়াতে হবে। স্যালাইন শরীরে পানিশূন্যতা রোধ করে। কলেরার জীবাণু দ্বারা ডায়রিয়া হলে প্রতিদিন শরীর থেকে ২০-৩০ লিটার পানি বের হয়ে যায়; যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে খাবার স্যালাইন, ভাতের মাড় বা অন্য কোনো বিশুদ্ধ পানীয় পান করালে শরীরে লবণ-পানির ঘাটতি কমবে। তবে ঘাটতি বেশি হলে সে ক্ষেত্রে কলেরা স্যালাইন দিতে হবে।
শিশুর ডায়রিয়া হলে ঘরে বসে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। যেমন:

 বারবার খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
 ছয় মাসের কম বয়সী শিশুকে শুধু মায়ের দুধ ও স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
 বেশি করে তরল খাবার যেমন: ভাতের মাড়, চিড়ার পানি, ডাবের পানি খাওয়াতে হবে।
 খাবার তৈরির আগে, শিশুকে খাওয়ানোর পূর্বে এবং পায়খানার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
 শিশুকে স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। অল্প করে বারবার খাওয়াতে হবে।
 যেসব শিশু মায়ের দুধ খায়, তাদের ঘনঘন মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
 চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক জিঙ্ক খাওয়াতে হবে।
 বোতলের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
 ছোট বাচ্চাদের খাওয়ানোর সময় চামচ ব্যবহার করতে হবে।

ডায়রিয়া হলে যা করা যাবে না
 খাবার বন্ধ করা যাবে না।
 চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ দেওয়া যাবে না।

৩। স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা নিরাপদ পানি তোমার জীবনে কতটুকু গুরুত্ব বহন করে – যৌক্তিকতা নিরুপন করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর :

স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ও নিরাপদ পানি আমার জীবনে অনেক গুরুত্ব বহন করে।
যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগের কারণে স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়। এসব মলমূত্রে যে জীবাণু থাকে তা ভক্ষণকারী অন্য জীব এগুলোকে ছড়িয়ে দেয় । এছাড়া বৃষ্টি বা জোয়ারের পানিতে এগুলো দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে।

আমাদের দেশের অনেক স্থানে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নেই এবং এসব অঞ্চলের মানুষ মাঠ বা কাঁচা পায়খানা ব্যবহার করে । এন্টামিবায় আক্রান্ত ব্যক্তির মল মাঠের মাটিতে মিশে যায়।

এ মাটিতে হাত লাগলে বা এ মাটিতে যে সবজি চাষ করা হয় তাতে এসব জীবাণু লেগে থাকে । সবজির ভিতরেও এরা প্রবেশ করে। রান্নার পরেও দেখা যায় ওই জীবাণু তখনও বেঁচে আছে । এভাবে এন্টামিবা সংক্রমিত হয় । ফলে সুস্থ মানুষও আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

খাবার-পানি নিরাপদ হওয়া খুবই জরুরী। কলেরা, টাইফয়েড ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট রোগ থেকে বাঁচতে অবশ্যই নিরাপদ পানি ব্যবহার করতে হবে।

পান করা, গোসল ও কাপড় কাচা, বাসন ধোওয়া ইত্যাদির জন্য নিরাপদ পানি ব্যবহার করা উচিত । আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েলের পানি নিরাপদ ।

পুকুর ও নদীর পানি ব্যবহারের পূর্বে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে । অন্যথায়, আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে ।

প্রশ্ন ১: লিথিয়াম, পানি, খাবার লবন, চক, কার্বন, চুন, নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, অক্সিজেন, আয়ােডাইড, লােহা, ক্লোরিন ইত্যাদি কিছু পদার্থ।

ক) মৌলিক পদার্থ কাকে বলে?

উত্তর :

মৌলিক পদার্থ কাকে বলে?

যেসব পদার্থ একটিমাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে। যেমনঃ তামা, লোহ্‌ হাইড্রোজেন ,অক্সিজেন ইত্যাদি। আপনি এই সকল পদার্থ কে ভাংলে আর নতুন কোন পদারথ পাওয়া যাবেনা।
যে পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করলে ওই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না, তা-ই মৌলিক পদার্থ।

যেমন : হাইড্রোজেন (H2), সোডিয়াম (Na)।

হাইড্রোজেনকে যত ভাগে ভাগ করা হোক—হাইড্রোজেনই পাওয়া যাবে। একইভাবে সোডিয়ামকে ভাগ করলেও শুধু সোডিয়ামই পাওয়া যায়।

খ) অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ।

উত্তর :

অণু

অণু মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা।
অণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
অণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পূর্বে অণু পরমাণুতে বিশ্লিষ্ট হয়।
পৃথিবীতে যৌগিক পদার্থের সংখ্যা অসংখ্য বলে অণুর সংখ্যাও অসংখ্য।
অণুকে ভাঙলে একই বা ভিন্ন মৌলের পরমাণু পাওয়া যায়।
পরমাণু

পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা।
সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কোনো কোনো মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। যেমন—হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি।
পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
বিভিন্ন প্রকার পরমাণুর সংখ্যা সীমিত। এ পর্যন্ত ১১১ প্রকারের পরমাণু আবিষ্কৃত হয়েছে।
পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর অস্তিত্ব থাকে না।
অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ

অণু পরমাণু

১. মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, যার মধ্যে ঐ পদার্থের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে তাই অণু। ১. মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হল পরমাণু।
২. অণুর স্বাধীন সত্তা আছে। ২. পরমাণুর স্বাধীন সত্তা নেই।
৩. অণু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। ৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
৪. অণুতে মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের ধর্ম বিদ্যমান থাকে। ৪. পরমাণুতে মৌলিক পদার্থের ধর্ম বিদ্যমান থাকে।
৫. অণুর উপাদান অসীম। ৫. পরমাণুর উপাদান ১১৪টি।

গ) উদ্দীপকে উল্লেখিত পদার্থগুলােকে প্রতীক ও সংকেতের সাহায্যে প্রকাশ করে মৌলিক পদার্থ ও যৌগিক পদার্থ আলাদা কর।
ঘ) উল্লেখিত পদার্থগুলাের মধ্যে কাকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়? কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর :

পানিকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়
যেসব পদার্থ অন্য পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে তাদেরকে দ্রাবক বলে। আর কোনো পদার্থ যদি অজৈব ও জৈব সকল প্রকৃতির পদার্থকে দ্রবীভূত করে, তাকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়। পানি একটি অজৈব যৌগ। পানিতে ধনাত্মক-ঋণাত্মক প্রান্ত অর্থাৎ পোলারিটি রয়েছে। পোলারিটি থাকার কারণে এটি অন্য পোলার যৌগ সমূহকে দ্রবীভূত করতে পারে। ফলে বেশিরভাগ অজৈব যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হয়। তাছাড়া যেসব জৈব যৌগে পোলারিটি রয়েছে এরাও সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। পানি জৈব ও অজৈব উভয় ধরনের যৌগকে দ্রবীভূত করে বলে একে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়।

সাধারণত যেসকল পদার্থ অন্য পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে তাদেরকে দ্রাবক বলে।

পানি একটি পোলার অণু। অর্থাৎ পানির একপ্রান্তে থাকে পজিটিভ চার্জ এবং অন্যপ্রান্তে থাকে নেগেটিভ চার্জ।

যেমনঃ পানির সংকেত H2O ; H+ হচ্ছে পজিটিভ প্রান্ত এবং OH– হচ্ছে নেগেটিভ প্রান্ত

ফলে যেকোনো পদার্থের পজিটিভ প্রান্তের সাথে পানির নেগেটিভ (OH–) এবং পদার্থের নেগেটিভ প্রান্তের সাথে পানির পজিটিভ প্রান্ত (H+) মিলে যৌগ গঠন করে। অর্থাৎ, তখন যৌগটি পানিতে দ্রবীভূত হয়।
পানির এই পোলারিটির কারণে অধিকাংশ অজৈব যৌগ-ই পানিতে দ্রবীভূত হয়। তাছাড়া, যেসকল জৈব যৌগে পোলারিটি রয়েছে তারাও পানিতে দ্রবীভূত হয়।
অর্থাৎ, পানি জৈব ও অজৈব অধিকাংশ যৌগকেই দ্রবীভূত করতে পারে।
এজন্যই পানিকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন – ১ : চিনিকে কেন যৌগিক পদার্থ বলা হয়?

উত্তর :

চিনি সাধারণত একটি যৌগিক পদার্থ। কারণ যেসব পদার্থ একের অধিক ভিন্নধর্মী উপাদান বিশিষ্ট মৌলিক পদার্থ দিয়ে তৈরি তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়। চিনি কে ভাঙলে হাইড্রোজেন অক্সিজেন ও কার্বন বিভিন্ন ধরনের পদার্থ পাওয়া যায়। অতএব আমরা বুঝতে পারছি যে চিনি একটি যৌগিক পদার্থ।

পরিশেষে আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি যে তিনি একটি যৌগিক পদার্থ। কারণ চিনির মধ্যে যৌগিক পদার্থের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।

Class 7 Arts and Craft Syllabus and Answer 2021

চারু ও কারুকলা জীবন যাপনকে সুন্দর ও রুচিশীল করে এবং সমাজকে সুন্দরভাবে গড়তে সাহায্য করে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ- চারুকলা একটি মানবীয় ক্রিয়া , যা দ্বারা সজ্ঞানে কতিপয় বাহিক প্রক্রিয়া দ্বারা নিজের মনের অনুভূতি বা কোন ভাবকে এমনভাবে অপরের নিকট পৌছে দেয় , যে অপরের মন সেভাবে সংক্রমিত হয় তা উপলব্ধি করতে পারে। অন্যদিকে ” য়ে কলা বা শিল্প প্রধানত দৈহিক ও ব্যবহারিক চাহিদা মেটানাের সঙ্গে আনন্দদান করে , তাকে কারুকলা বলে।

আর এই চারু ও কারুকলা জীবনকে সুন্দর ও রুচিশীল করে তােলে। সাহায্য করে সমাজকে সুন্দরভাবে গড়তে। কেননা এর ফলে মানুষ মনের আনন্দের পাশাপাশি বেঁচে থাকার জন্য সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা দ্বারা বাস্তব জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তুলে। এছাড়াও চারু ও কারুকলা জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির মধ্যে সবসময় উন্নত চিন্তাভাবনা থাকায় সে খুব রুচিশীল হয়।

ফলে তার রুচিশীল কাজ সবাই পছন্দ করে এবং তার এই কারুকাজ দ্বারা আর্থিকভাবে লাভবান হয় , তার জীবন হয় সুন্দর ও স্বচ্ছল। আর এর প্রভাব পড়েমুন্দর সমাজ গঠনে। কেননা সমাজের লােকজন তার কাজ বা রুচিশীল কর্মকান্ডদ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে সােচ্চার হয়।এছাড়াও কারুকাজ দ্বারা সমাজে বিভিন্ন নকশা , ছবি তৈরীর মাধ্যমে সমাজে ছােট বাচ্চা এবং কিশােরদের সৃজনশীল হওয়া এবং সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করার কাজ সম্ভব হয়।

উন্নত রুচিবােধ থাকায় সমাজে সবাই পরিপাঠী থাকে ফলে সমাজে অরাজকতা , বিশৃঙ্খলা এবং অপরিচ্ছন্নতার সৃষ্টি হয় না। ফলে সমাজ হয়ে উঠে অনেক সৃজনশীল , গতিশীল এবং আধুনিক রুচিসম্পন্ন যা আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে প্রেরণা জোগায়।

তাই আলােচনা শেষে সহজেই বলা যায় যে , চারু ও কারুকলা যেমন ব্যক্তি জীবন সুন্দর ও রুচিশীল করে গড়ে তােলে তেমনি সাহায্য করে সমাজকে সুন্দর ও সঠিকভাবে সাজাতে।

নিম্নে 3rd Week 2020 এর উত্তরপত্র ও সিলেবাস

1. Class 7 English Answer & Syllabus 2020

Are you looking for a solution in Class Seven English? We’ve attached an English solution here. You can click on the PDF file to download and collect the English solution and submit it to the class teacher.

Download your English Answer PDF file Click here (ইংলিশ এর উত্তর পেতে ফাইলের উপর ক্লিক করুন)

English Assignment Syllabus for Class 7 4th week 2020 (সিলেবাস পেতে এখানে ক্লিক করুন)

2. Class 7 Science Answer & Syllabus 2020

Attached here is the science syllabus of class seven. Click on the file to get the answer and collect the answer sheet.

Download your Science Answer PDF file Click here (বিজ্ঞানের উত্তর পেতে ফাইলের উপর ক্লিক করুন)

Science  Assignment Syllabus for Class 7 4th week 2020 (সিলেবাস পেতে এখানে ক্লিক করুন)

3. Class 7 Bangladesh Global Studies Answer & Syllabus 2020

Here is the solution including the syllabus of Bangladesh World Identity subject. You can collect the answer sheet from here. For this, you have to download the PDF file and then carry the answer sheet

Download your Bangladesh Global Studies Answer PDF file Click here (এখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এর উত্তর পেতে পিডিএফ ফাইল এর উপর ক্লিক করুন)

Bangladesh Global Studies Assignment Syllabus for Class 7 4th week 2020 (সিলেবাস পেতে এখানে ক্লিক করুন)

Read more…

Class 6 Assignment All Subject Answer & Syllabus 4th week 2020

Abul Kalam

Hi, I'm Abul Kalam Azad. Now I'm working on a Private Bank in Bangladesh. In this website, I shall publish content on Finance Category. you can also know about the Banking system from our website. Anyone can know about Banking System in Bangladesh, Core Banking Review, Credit Card, Debit Card information, Agent Banking, and Mobile Banking Information from my content.

Related Articles

Back to top button
Close