3rd week Assignment 2021Assigment

3rd week Class 9 Assignment All Subject Answer 2021

Welcome to the third week of Class 9 today. This post is for you if you are a Class 9. Did you know that the third-week assignment syllabus of the ninth series has been published on their official website? If you can’t collect it, collect it from us. So our website has been made available and the answers to each question have been attached here so that you are able to create good quality assignments.

Recommended for you:

Third Week Assignment Notice and Routine 2021 for class 9

The Department of Education has already published the third-week assignment syllabus and notification on their website. Did you collect the syllabus? The syllabus attached to our website is easy to collect.

Class 9 Math assignment answer (3rd week)

Mathematics is a difficult subject. Creating math assignments is difficult for Class 9. But the Department of Education has released a math syllabus for their students to create and submit third-week assignments. No need to worry because to help you, we have created answers to each question by an experienced teacher and linked it to our website so that you can easily collect the answers. Come on I will see the answers.

More Post: 3rd Week Assignment Syllabus & Answer

Class 9 Math Assignment Answer (3rd Week)

A x2-2X+1, B=x2-√3X+1, C=x2+10X+16 নিচের সমস্যাগুলো সমাধান কর ।

সমস্যা ১ঃ A= 0 হলে, X এর মান নির্ণয় কর।
সমস্যা ২: C রাশিকে দুটি বর্গের অন্তররূপে প্রকাশ করা সম্ভব কী? উত্তরের স্বপক্ষে গাণিতিক যুক্তিসহ উপস্থাপন কর।
সমস্যা ৩: সূত্রের সাহায্যে A2 নির্ণয় কর।
সমস্যা ৪: যদি B হয়;তবে X2+1/X2 এবং X3+1/X3 এর মান পরষ্পর সমান হবে কী? গাণিতিকভাবে যুক্তি উপস্থাপন কর।

Class 9 Higher Math assignment answer (3rd week)

Advanced Mathematics Syllabus for Class 9 science students the syllabus has already been released by the Department of Secondary Education to create assignments for the third week. And the syllabus is attached to our website and easy to collect. The answers to each of the questions that have been asked for the making of the third week are attached herewith.

(ক) বর্ণিত অন্বয়টি ফাংশন হলে তা কী ধরনের ফাংশন যুক্তিসহ উল্লেখ কর।

(খ) (a) এর বিপরীত ফাংশন সম্ভব কিনা তা যুক্তিসহ উপস্থাপন কর।

(গ) (b) এর ক্ষেত্রে x ≠ 3 এর জন্য ফাংশনটি এক-এক এবং সার্বিক কিনা তা যুক্তি দিয়ে নিজস্ব মতামত উপস্থাপন কর।

Class 9 Agriculture assignment answer (3rd week)

Class 9 agricultural syllabus is attached here. If you do not have a collection yet, visit our website to collect the syllabus, and the questions assigned to the syllabus are answered in each question.

প্রশ্ন: তোমার এলাকার প্রধান প্রধান ফসলের নাম উল্লেখপূর্বক ফসল সমূহ চাষের কারন ও সেগুলোর জন্য জমি প্রুস্থতির বিবরণ উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।

আমাদের এলাকায় কি কি ফসল চাষ করা হয় এবং চাষ করার কারণ:

বেঁচে থাকার জন্য মানুষের পুষ্টির প্রয়ােজন। আর এই পুষ্টি উপাদান আসে বিভিন্ন প্রকার খাবার থেকে। ফসল , পশুপাখি ও মাছ থেকে আমরা আমাদের খাবার পেয়ে থাকি। জীবনকে সুস্থ, সবল, সচল, কর্মক্ষম ও দেহের বৃদ্ধিসাধনের জন্য যে সব উদ্ভিদজাত দ্রব্য প্রয়াজেন হয় সেগুলােকে উদ্ভিদজাত খাদ্য বলা হয়।

ফসল হলাে মানুষের খাদ্যের প্রধান উৎস। বিভিন্ন প্রকার ফসলের মধ্যে ধান আমাদের প্রধান। কারণভাত আমাদের প্রধান খাদ্য। বাংলাদেশে মোট আবাদি জমির প্রায় ৮০% জমিতেই ধান চাষ করা হয়। ধান প্রধানত শর্করা জাতীয় খাবারের চাহিদা মিটিয়ে থাকে তবে এতে ৮% আমিষও রয়েছে। ব্রাচ্চা থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ নিরাপদে এ খাবার খেতে পারে। ধানের পাশাপাশি চাষ হয় গম এবং আলু। মাসকালাই। ডালজাতীয় ফসল মাঠে চাষ করা হয়। এ ফসল আমিষ সমৃদ্ধ ও মাংসের তুলনায় সস্তা বিধায় একে গরীবের মাংস বলা হয়। কৃষি প্রধান বাংলাদেশে ভূমির উর্বরতা রক্ষায় এজাতীয় ফসল অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। নিবিড়শস্য চাষ করলে জমিতে জৈব পদার্থ ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। জৈব পদার্থ হলাে মাটির প্রাণ। ডালজাতীয় শস্য চাষ করলে মাটিতে প্রচুর পরিমাণ জৈব পদার্থ ও নাইট্রোজেন সার যােগ হয়। এ জাতীয় ফসল মানুষের পুষ্টির পাশাপাশি আমিষ সমৃদ্ধ পশুখাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া তৈলবীজ (সরিষা) ফসল আমাদের স্নেহজাতীয় পদার্থের যােগান দিয়ে থাকে। আঁশজাতীয় (পাট) ফসল চাষ করে আমরা আমাদের দৈনন্দিন অনেক চাহিদাই মিটিয়ে থাকি। কিছু আঁশ ফসল আছে যেগুলাে রপ্তানি করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হয়। এছাড়া চাষ করা হয় বিভিন্ন প্রকারের সবজি। মােদ্দা কথা ফসলের চাষাবাদ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং পুষ্টিহীনতা দূর করতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর পুষ্টির যােগান দিতে এদের অবদান অনস্বীকার্য।

ধান চাষের জন্য জমির প্রস্তুতি:
বাংলাদেশে দানাজাতীয় ফসলের মধ্যে ধানের চাষ ও উৎপাদন সবচেয়ে বেশি। কারণ মানুষের প্রধান খাদ্যশস্য হলাে ভাত। ধানের ফলন সব জমিতে ভালাে হয় না। মাঝারি নিচু ও নিচু জমিতে ধানের ফলন বেশি ভালাে হয়। মাঝারি উঁচু জমিতেও ধান চাষ করা হয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে পানি সেচের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হয়। এঁটেল ও পলি দোআঁশ মাটি ধান চাষের জন্য উপযােগী।

ধানের চারা তৈরির জন্য সাধারণত চার ধরনের বীজতলা তৈরি করা হয়। যথা।

ক) শুকনা বীজতলা

খ) ভেজা বীজতলা

গ) ভাসমান বীজতলা

ঘ) দাপােগ বীজতলা

উঁচু ও দোআঁশ মাটিসম্পন্ন জমিতে শুকনাে বীজতলা এবং নিচু ও এঁটেল মাটি সম্পন্ন জমিতে ভেজা বীজতলা তৈরি করা হয়। আর বন্যাকবলিত এলাকায় ভাসমান ও দাপােগ বীজতলা তৈরি করা হয়। প্রচুর আলাে বাতাস থাকে এবং বৃষ্টি বা বন্যার পানিতে ডুবে যাবে না এমন জমি বীজতলার জন্য নির্বাচন করতে হয়। মাটিতে অবশ্যই রস থাকতে হবে। প্রয়ােজনে সেচ দিতে হবে। এর আগে জমি থেকে আগাছা বেছেসরিয়ে ফেলতে হবে। জমি যদি অনুর্বর হয় জমিতে জৈব সার দিতে হবে। বীজতলায় রাসায়নিক সার ব্যবহার না করাই উত্তম।

চারা রােপণের জমি তৈরি: ৪-৫ টি আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে জমি ভালােভাবে কাদাময় ও সমান করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে কোদাল দিয়ে জমির চারদিক ঘেঁটে দিতে হবে।

চারা রােপণের জমিতে সার ব্যবস্থাপনা:

ভালাে ফলন পেতে হলে অবশ্যই জমিতে সার দিতে হবে। এছাড়া উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত মাটি থেকে বেশি পরিমাণে খাদ্যোপাদান গ্রহণ করে বিধায় সার প্রয়ােগ অত্যাবশ্যক। গােবর বা আবর্জনা পচা জাতীয় জৈব সার জমি তৈরির | সময় মাটির সাথেমিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া ব্যতীত সকল রাসায়নিক সার যেমন- টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, দস্তা প্রভৃতি জমিতে শেষ চাষ দেওয়ার আগে প্রয়ােগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। চারা রােপণ করার পর ইউরিয়া সার ৩ কিস্তিতে ছিটিয়ে প্রয়ােগ করতে হয়। ১ম কিস্তি চারা রােপণের ১৫-২০ দিন পর ২য় কিস্তি ৩০-৩৫ দিন পর | অর্থাৎ চারার গােছায় ৪-৫টি কুশি আসা অবস্থায় এবং শেষ কিস্তি ৪৫. | ৫০ দিন পর অর্থাৎ কাইচ থােড় আসার ৫-৭ দিন আগে প্রয়ােগ করতে নিচে শতক প্রতি জৈব সার, ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম ও দস্তা সারের পরিমাণ দেওয়া হলাে:

সারের নাম পরিমাণ
পচা গােবর বা কমপােষ্ট ২০ কেজি।
এমওপি ১৬০-২৮০ গ্রাম
ইউরিয়া ৩৬০-৮৪০ গ্রাম
টিএসপি ৩০০-৫০০ গ্রাম
জিপসাম ২৪০-২৮০ গ্রাম
দস্তা ৪০ গ্রাম

Class 9 Arts and Crafts assignment answer (3rd week)

 Arts and Craft is an important subject for Class 9  but most students find it difficult to say goodbye they are afraid to make assignments. But for the third-week assignment, they have to make the assignment within the stipulated time and submit it to the school. So in order to help the students, we have created an experienced faculty member who answers every question on this subject and they have linked it to our website so that they can collect the answers to the question and submit it to the school at the right time.

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

১.শিল্পকলা কী? বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য শিল্পকলা চর্চা গুরুত্বপূর্ণ কেনঃ ব্যাখ্যা কর।

প্রশ্ন: শিল্পকলা কী?

উত্তর: কল্পনা ও বাস্তবের মেলবন্ধন হল শিল্প। এই শিল্প বিভিন্ন রূপে কলার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। যেমন, ছবি, ভাস্কর্য, নৃত্য, থিয়েটার ইত্যাদি। এখানে এই মাধ্যমগুলো হল কলা। তাই একসাথে ‘শিল্পকলা’ বলা হয়।

শিল্পকলা বলতে বিশ্বের বিভিন্ন সমাজ ও সংস্কৃতিতে বিদ্যমান বহুবিধ কিছু মানব কর্মকাণ্ডকে বোঝায়, যেগুলিতে দেখা, শোনা বা পড়ার যোগ্য কিংবা পরিবেশন করার মতো এমন বিশেষ কোনও কিছু (বস্তু, পরিবেশ বা অভিজ্ঞতা) সৃষ্টি করা হয়, যার মাধ্যমে সৃষ্টিকারীর কল্পনাশক্তি বা কারিগরি দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে এবং দর্শক, শ্রোতা বা পাঠক বিভিন্ন ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে ও বুদ্ধি দিয়ে মানসিকভাবে যার সৌন্দর্য ও আবেগ উদ্রেককারী ক্ষমতার তারিফ করে। শিল্পকলায় সৃষ্ট বস্তুকে শিল্পকর্ম বলে এবং যে ব্যক্তি শিল্পকলার চর্চা করে শিল্পকর্ম সৃষ্টি করেন, তাকে শিল্পী বলে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য শিল্পকলা চর্চা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর: কলা বা শিল্প শব্দের সাধারণ অর্থ হল, কোন কাজ সহজ, সুন্দর ও সার্থকভাবে সম্পন্ন করা।

শিল্পকলার অন্যতম প্রধান একটি কলা চিত্রকলা।
চিত্রকলার একটি বিশেষ মাধ্যম হল লোক চিত্রকলা।
যে চিত্রকলা কোন দেশের সাধারণ মানুষ এর জীবনের নানা দিকের চিত্র তুলে ধরে ও প্রধানত গ্রামীণ সমাজকে বহন করে তাকে সে দেশের লোক চিত্রকলা বলে। বাংলাদেশের লোক চিত্রকলা খুবই স্বমৃদ্ধ।

মানব মনের সুক্ষ অনুভূতিগুলোকে সৌন্দর্যরসে সিক্ত করে অপরের নিকট প্রকাশ করার অন্যতম মাধ্যম হলো শিল্পকলা।

মানব মনের সহজাত আনন্দধারা বিকাশের জন্য শিল্পকলা চর্চা সবার জন্য অপরিহার্য।

শিল্পকলা একজন মানুষকে পরিপূর্ণ ও সুন্দর মানুষ হয়ে উঠতে সাহায্য করে। শিল্পচর্চা মানুষের মাঝে সৌন্দর্যবোধ সৃষ্টি করে, মনকে তৃপ্ত করে। ভুবনে যে আনন্দ ধারা প্রবাহিত হচ্ছে তাতে শিল্পকলার মূল সত্যটি প্রকাশিত হচ্ছে। সব মানুষই জীবনের এ আনন্দকে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল। কেননা আনন্দ প্রকাশ মানুষের জীবনীশক্তির প্রবলতারই প্রকাশ। শিল্পচর্চা তাই সবার পক্ষে অপরিহার্য।

আমাদের দেশে শিশুমাত্রই উপেক্ষিত, সুস্থ শৈশব থেকে তারা বঞ্চিত। হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের শিশুর বঞ্চনার বাস্তবতা আমরা জানি, কিন্তু ধনীর সন্তানও কি আদর্শ শৈশব কাটাতে পারে? তাদের হয়তো ভোগ-আস্বাদনের সুযোগ সীমাহীন, কিন্তু শিশুর আনন্দের প্রধান উৎস তো অংশগ্রহণমূলক কাজে (বা খেলায়)। সেখানে অধিকাংশের জীবনই কাটে বন্দিদশায়, একাকিত্বে। সচরাচর শিশু খেলনার অপেক্ষায় থাকে না, কিন্তু খেলনা পেতে নিশ্চয় তার ভালো লাগে। অনেক বাবা-মা শিশুর এই দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে তার সঙ্গে খেলার বদলে তাকে খেলনার প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে শৃঙ্খলা আদায় করেন (চুপ করে বসে থাকা, দ্রুত খাওয়া ইত্যাদি)। বড়রা শিশুর ‘দুর্বলতা’কে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে নিজের কার্যসিদ্ধি করলেও পরিণামে শিশুর মধ্যে কাঙ্ক্ষিত জিনিস আদায়ের দর-কষাকষির মনোবৃত্তি উসকে তোলেন। তাতে সম্পর্কের সারল্য ও স্বতঃস্ফূর্ততা চোট খায়, এর মধ্যে উভয় পক্ষে চালাকির প্রবণতা ঢুকতে থাকে।

শিক্ষার একটা সংস্কৃতি আছে, যেমন সব বিষয়ের থাকে। শিক্ষার সংস্কৃতির নিহিত চাহিদা হলো মুক্ত পরিবেশ, অংশগ্রহণের অবাধ সুযোগ, প্রকাশের স্বাধীনতা।

তাই স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র ভাবলে তার অনুকূল সাংস্কৃতিক পরিবেশও নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য শিক্ষার দুটি দিক নিয়ে ভাবা জরুরি Ñ

১. প্রশ্নের উত্তর-নির্ভর পরীক্ষাকেন্দ্রিক বিদ্যাচর্চার স্থলে জ্ঞানচর্চার জন্য ভাষা (বাংলা ও ইংরেজি) ও গণিতে দক্ষতা ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী নানা বিষয়ে জ্ঞানার্জন হবে শিক্ষার মূল লক্ষ্য।

২. সেই লক্ষ্য অর্জনে সাফল্যের জন্য চাই জ্ঞানচর্চার সঙ্গে সঙ্গে আত্মপরিচয়ের শিকড়ের সঙ্গে শিশুমনের সংযোগ ঘটা। সে লক্ষ্যে চাই

ক. দেশ ও জনগোষ্ঠীর ইতিহাস-জ্ঞান, বিশ্বসভ্যতার ইতিহাস, মানুষের অর্জন ও অবদান সম্পর্কে ধারণা।

খ. নিজের দেশজ সংস্কৃতির সঙ্গে সম্যক পরিচয় এবং বিশ্বসংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা।

গ. সৃজনশীলতার চর্চা এবং নিজের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলাচর্চা ও এসবের রসাস্বাদনের দক্ষতা অর্জন।

ঘ. চর্চার মাধ্যমে যুক্তি, বিচার-বিবেচনা, বিশ্লেষণের সক্ষমতা অর্জন।

ঙ. মানবিক গুণাবলি এবং নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা।

বর্তমানে শিল্পকলার বিশ্বব্যাপী চর্চা, প্রসার ও সংরক্ষণ সম্ভব হয়েছে। বিংশ শতাব্দী জুড়ে ব্যক্তিগত ও সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিল্প জাদুঘর, শিল্প প্রদর্শনশালা প্রভৃতি নির্মিত হয়েছে। এই সমস্ত স্থানে বিভিন্ন প্রকার শিল্পকীর্তির বিশ্লেষণ ও নথিবদ্ধকরণের পাশাপাশি জনসাধারণের উপভোগের স্বার্থে শিল্প প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা করা হয়। গণমাধ্যমের উদ্ভব ও অগ্রগতি শিল্পকলার চর্চা ও বিস্তারের ক্ষেত্রে প্রভূত সহায়তা করছে। হুইটনি দ্বিবার্ষিক, সাও পাওলোর দ্বিবার্ষিক, ভেনিসের দ্বিবার্ষিক এবং কাসেলে অনুষ্ঠিত ডকুমেন্টা প্রভৃতির মাধ্যমে শিল্পের নিত্য নতুন ভঙ্গী ও ঐতিহ্যের বিকাশ সম্ভব হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রচলনের মাধ্যমে শিল্পকলায় উৎসাহ প্রদান শুরু হয়েছে। ইউনেস্কোর মত সংস্থাও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকা প্রস্তুতির মাধ্যমে পৃথিবীর প্রধান প্রধান সৌধ ও স্মারক প্রভৃতির সংরক্ষণে এগিয়ে এসেছে।

 

Class 9 Home Science assignment answer (3rd week)

The Department of Secondary Education has published the subject of Home Science for the Class 9 students as the third assignment. If you want you can easily accompany the movie from our website and the questions for creating home science assignment questions are given here. The answers to each question are made by an experienced teacher and attached to you.

গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায়গুলাে অনুসরণ করে তােমার কক্ষটিতে কিভাবে আরও আকর্ষণীয় করে তােলা যায় তা নিচের প্রশ্নের আলােকে বিস্তারিত বর্ণনা কর।

১। প্রশ্ন: কেন তােমার কক্ষটাকে সুন্দর করতে চাও।

২।প্রশ্ন: কক্ষটি সুন্দর করতে চাইলে প্রথমে তােমাকে কি করতে হবে এবং কেন?

৩। প্রশ্ন: একাজে তােমাকে কে কে সাহায্য করতে পারবে এবং কিভাবে?

৪। প্রশ্ন: কক্ষটি সাজানাে তােমার পছন্দমত হচ্ছে? না হলে তুমি কি করতে চাও

৫। প্রশ্ন: সাজানাে গােছানাে পরিপাটি কক্ষটিতে বসে এখন তােমার কেমন লাগছে? তােমার অনুভূতি ব্যক্ত কর।

উত্তর: গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায়গুলো অনুসরণ করে আমার কক্ষটিকে যেভাবে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা যায় তা বর্ণনা করা হলো-
গৃহ ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা হতে স্পষ্ট ধারণা করা যায় যে, গৃহ ব্যবস্থাপনা পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য কতগুলো ধারাবাহিক কর্মপদ্ধতির সমষ্টি মাত্র।

এ পদ্ধতি গুলো ধারাবাহিক ভাবে সম্পন্ন করতে হয় বলে এগুলোকে গৃহ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি বা পর্যায় বলা হয়।

পরিকল্পনা –
গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ পরিকল্পনা করা। লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে যেসব কর্মপন্থা অবলম্বন করা হয়, তার পূর্বে কাজটি কীভাবে করা হবে, কেন করা হবে ইত্যাদি সম্বন্ধে চিন্তাভাবনা করার নাম পরিকল্পনা।

অর্থাৎ পরিকল্পনা হলো পূর্ব থেকে স্থিরকৃত কার্যক্রম।

এক্ষেত্রে, আমি আমার কক্ষটাকে কেন সুন্দর করতে চাই, কক্ষটি সুন্দর করতে চাইলে প্রথমে আমাকে কি করতে হবে এবং কেন করতে হবে এসব চিন্তাভাবনাই হলো পরিকল্পনা। সৌন্দর্যবর্ধন এবং আত্মতৃপ্তির জন্য আমি আমার কক্ষটাকে সুন্দর করতে চাই।

কক্ষটি সুন্দর করতে চাইলে প্রথমে আমাকে আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে আলোচনা করে নিতে হবে। কারণ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে পরিবারের সদস্যদের মতামতে যেকোনো কাজ সহজতর হয়।

গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায় অনুসরণ করে আমার কক্ষটি আকর্ষণীয় করার উপায়
সংগঠন –
গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবারের বিভিন্ন কাজগুলোর মধ্যে সংযোগ সাধন করার নাম সংগঠন।

সংগঠনের পর্যায়ে কোন কাজ কোথায় ও কিভাবে করা হবে তা স্থির করা হয়। কাজ করতে গেলে কোন কাজ কাকে দিয়ে করানো হবে, সে কাজ সম্পর্কে কার অভিজ্ঞতা আছে, কিভাবে কাজটি করতে হবে, কি কি সম্পদ ব্যবহার করা হবে ইত্যাদি বিবেচ্য বিষয়সমূহ সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত।

এক কথায় কাজ, কর্মী ও সম্পদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাকে সংগঠন বলে। আমার পরিকল্পিত কাজে আমার মা, বাবা এবং ভাই আমাকে সাহায্য করতে পারবে। যেভাবে তারা আমায় সাহায্য করতে পারে-

প্রথম পর্যায়ে করণীয় কাজের বিভিন্ন অংশের একটি ধারাবাহিক বিন্যাস রচনা করবে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে কোন কাজ আগে এবং কোন কাজ পরে হবে তা ধারাবাহিকভাবে রচনা করবে।
তৃতীয় পর্যায়ে নির্দিষ্ট কাজ বা কাজসমূহ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করার জন্য একটি কর্ম কাঠামো রচনা করবে।
এ থেকে বলা যায়, যে কোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের সুচিন্তিত পদক্ষেপ গ্রহণ করাই সংগঠন।

নিয়ন্ত্রণ –
গৃহ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ করা। নিয়ন্ত্রণ বলতে বোঝায় পরিবারের সকল ব্যক্তি সুশৃংখলভাবে পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের কাজে নিয়োজিত কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা।

পরিকল্পিত কর্মসূচি ও পূর্ব নির্ধারিত মান অনুসারে কার্য সম্পাদিত হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা ও প্রয়োজনবোধে উপযুক্ত সংশোধনীর ব্যবস্থা করা এ পর্যায়ের কাজ।

কাজ চলাকালীন অবস্থায় কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে, যে পরিকল্পনা করা হয়েছে সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা, যাকে যে কাজ দেয়া হয়েছে সে কাজ সঠিকভাবে করছে কিনা ইত্যাদি।

প্রয়োজনবোধে কাজের ধারা পরিবর্তন করে কাজ সম্পাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে কক্ষটি সাজানো আমার পছন্দ হচ্ছে কিনা বা না হলে আমি যা করব – প্রয়োজন অনুযায়ী গৃহীত পরিকল্পনায় কিছুটা রদবদল করে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে দৃষ্টিনন্দন করার চেষ্টা করবো।

মূল্যায়ন –
গৃহ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ পর্যায় হলো মূল্যায়ন করা। কাজের ফলাফল বিচার বা যাচাই করাই হচ্ছে মূল্যায়ন। পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণের ওপর কাজের ফলাফল নির্ভর করে।

কাজটি করার পেছনে যে লক্ষ্য ছিল তা অর্জনে পূর্ববর্তী পর্যায়গুলোর অবদান পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে মূল্যায়ন করতে হবে। মূল্যায়ন ছাড়া কাজের সফলতা ও বিফলতা নিরূপণ করা যায় না। কাজের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে ফলাফল যাচাই করতে হয়। উদ্দেশ্য সাধিত না হলে ফলাফল ভালো হলো না বুঝতে হবে।

সঠিক মূল্যায়নের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে-
লক্ষ্য অনুযায়ী পরিকল্পিত কাজগুলো ঠিকমতো হয়েছে কি না।
কাজের সফলতা বা ব্যর্থতা নিরূপণ করা।
কাজে ব্যর্থ হলে ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করে পরবর্তীতে সংশোধনের মাধ্যমে কাজে সফল হওয়া।

Class 9 Economics assignment answer (3rd week)

If you are a Class 9 then economics is an important part of your life. Although the syllabus on economics has been published on the official website, for the convenience of the students, we have attached the class 9 syllabus here so that they can easily collect and download the answers to each question according to the syllabus from here.

*আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে” উপরোক্ত বিষয়ে অনাধিক ৩০০ শব্দের একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

সংকেত:

* সূচনা
* অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি
* আমাদের জীবনের নীতিগুলোর প্রভাব পর্যালোচনা করে অভিজ্ঞতার বর্ণনা
* তোমার জীবন যাপনে নীতিগলোর ভূমিকা
* উপসংহার

উত্তর : অর্থনীতি আমাদের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির বহু ব্যবহার করে থাকি। অর্থনীতি ছাড়া এক মুহূর্তও আমরা চলতপ পারি না। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির ১০ টি নীতির প্রভাব নিচে আলােচনা করা হলােঃ

১। মানুষকে পেতে হলে ছাড়তে হয়

২। সুযােগ ব্যয়

৩। যুক্তিবাদী মানুষ প্রান্তিক পর্যায় নিয়ে চিন্তা করে

৪। মানুষ প্রণােদনায় সাড়া দেয়

৫। বাণিজ্যে সবাই উপকৃত হয়

৬। অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংগঠিত করার জন্য সচরাচর বাজার একটি উত্তম পন্থা

৭। সরকার কখনাে কখনাে বাজার নির্ধারিত ফলাফলের উৎকর্ষ সাধন করতে

৮। একটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করে সে দেশের দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষমতার উপর

৯। যখন সরকার অতি মাত্রায় মুদ্রা ছাপায়, তখন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়

১০। সমাজে মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মধ্যে স্বল্পকালীন বিপরীত সম্পর্ক বিরাজ করে

More Related Post: DSHE Assignment Syllabus 2021 Routine & Answer

www dshe gov bd 2021 Assignment Syllabus & Answer for class 6 7 8 & 9

Abul Kalam

Hi, I'm Abul Kalam Azad. Now I'm working on a Private Bank in Bangladesh. In this website, I shall publish content on Finance Category. you can also know about the Banking system from our website. Anyone can know about Banking System in Bangladesh, Core Banking Review, Credit Card, Debit Card information, Agent Banking, and Mobile Banking Information from my content.

Related Articles

Back to top button
Close