রোজার নিয়ত ইফতার ও সেহরির দোয়া (বাংলা এবং আরবি)

প্রত্যেকটি ভালো কাজ করার মধ্যেই আমরা নিয়ত করে থাকি। নামাজের সময় যেমন আমরা নিয়ত করি ঠিক তেমনই রোজা রাখার জন্য ইফতার এবং সেহরির সময় নিয়ত করতে হয়। সাধারণত ভালো কোনো কাজ করার জন্য আমাদের আগে থেকে যে প্রস্তুতি থাকে তাকে নিয়ত বলা হয়ে থাকে। প্রত্যেকটি মুসলমানদের জন্য রোযা রাখা যেমন ফরজ ঠিক তেমনি রোজা রাখার নিয়ত করা ফরজ। মুসলমানদের জন্য রোযা রাখার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম কারণ রয়েছে তার মধ্যে রোজার নিয়ত করার একটি কারণ।

রোজা রাখার জন্য আমাদের রোজার ইফতার এবং সেহরির নিয়ত অতি শুদ্ধ এবং স্পষ্ট ভাবে আদায় করতে হবে। দেখতে দেখতে আমাদের মাঝে চলে এসেছে আরেকটি বছর পেরিয়ে রমজান মাস। রমজান মাসে চলে আসার সাথে সাথে আমাদের প্রথমে দরকার হয় রমজান মাসে রোজার ইফতার এবং সেহরির নিয়ত।

ইতিমধ্যে যারা গুগলের রোজার ইফতার এবং সেহরির নিয়ত সম্পর্কে জানতে সার্চ করছেন তাদের জন্য নিজে থাকছে পবিত্র মাহে রমজানের রোজার ইফতার এবং সেহরির বাংলা এবং আরবি নিয়ত। যে যার পছন্দ মতো রোজার ইফতার এবং সেহরির বাংলা এবং আরবি নিয়ত গুলো কালেক্ট করে নিতে পারবেন আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে।

রোজা রাখার নিয়ত

প্রত্যেকটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান রোজা রাখার জন্য নিয়ত করে থাকে। রমজানের এই পবিত্র মাসে সকলে আল্লাহ তা’লার সন্তুষ্টি জন্য পানাহার থেকে বিরত থেকে রোজা রেখে থাকে। যারা আল্লাহ তা’লার সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখে থাকেন তাদের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন রোজার নিয়ত সম্পর্কে জেনে নেওয়া। প্রয়োজন তাই নিচে রোজার নিয়ত উল্লেখ করা হলো।

রোজার নিয়ত ইফতার ও সেহরির দোয়া

সেহরির দোয়া

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলায় নিয়ত: হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ’র ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার পক্ষ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।

রোজার ইফতারের দোয়া

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার করার আগে ইফতারের জন্য একটি নির্দিষ্ট দোয়া রয়েছে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী রমজানের রোজা রাখার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন মেনে রোজা রাখতে হবে। রোজা রাখার জন্য ইফতারের সময় আগে একটি দোয়া পড়ে নিতে হয়। নিচের এই দোয়াটি উল্লেখ করা হলো।

উচ্চারণঃ জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতাল্লাতিল উ’রুকু; ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।

অর্থঃ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *